1. mostafa0192@gmail.com : admin2024 :
রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন

আহসানগঞ্জে জমে উঠেছে ঐতিহ্যবাহী পশুর হাট

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২২ জুন, ২০২৩
  • ৫৩ বার পঠিত

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার আহসানগঞ্জ হাটে জমে উঠেছে পশুর হাট। কুরবানির পশুর ক্রয় –বিক্রয়ের জন্য নওগাঁ জেলার এগারো টি উপজেলাসহ বগুড়া,নাটোর,রাজশাহী,জয়পুরহাটে,সিরাজগঞ্জ অর্ধলাখ মানুষের জামায়েত হয়। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে এই পশুর হাট। বৃহস্পতিবার আহসানগঞ্জ হাটে দেখা গেছে,প্রায় তিন একর জায়গার ওপর বসেছে পশুর হাট।পশু নিয়ে সকালেই পৌঁছে যান বিক্রেতারা ফলে বৃহস্পতিবার সকাল এগারোটা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত পুরোদমে শুরু হয় পশু বেচাকেনা। কুরবানি উপলক্ষে পশুর উপস্থিতি একটু বেশি থাকে। পশুর হাটে বিক্রেতা-ক্রেতাদের মাঝে চলে দর-কষাকষি। এই সময় পশু রাখার জায়গ থাকে না পশুর হাটে। ক্রেতা- বিক্রেতাদের ক্রয়-বিক্রয়ের সুবিধার্থে হাট কর্তৃপক্ষ ছাগলের হাট আলাদা ভাবে আহসাগঞ্জ স্কুল মাঠে বসানা হয়। স্থানীয় কয়েকজন গণমাধ্যমকমী জানান, প্রতিবছর কোরবানী উপলক্ষে এ হাটে দেশি গরু আমদানি বেশি ।গরু বিক্রেতা রাজশাহীর মোহন পুর উপজেলার বাবু মিঞা বলেন, আমি দশটি গরু বিক্রি করতে এসেছি। ছয়টি গরু বিক্রি করেছি। চারটি গরু হাতে আছে, এগুলোও বিক্রি হবে আশা করছি।আরেক গরু বিক্রেতা বাগমারা উপজেলার সাকোয়া মাহবুর আলম বলেন, এবছর গো- খাদ্যের দাম অনেক বেশি। তাই গরুর দামও একটু বেশি। দুটি গরু বিক্রি করার জন্য এসেছি। এখন পর্যন্ত একটিও বিক্রি করতে পারিনি।ফলে গরু দুটি ফেরত নিয়ে যেতে হতে পারে। গরু ব্যবসায়ী মকলেছার জানান, চারটি গরু ক্রয় করে হাটে নিয়ে এসেছিলাম।তিনটি গরু বিক্রি করেছি ও একটি ফেরত নিয়ে যাচ্ছি। তবে তিন গরুতে পাঁচ হাজার টাকা লোকসান করে বিক্রি করতে হয়েছে।তবে গত বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম অনেক বেশি। আত্রাই উপজেলার জয়সারা গ্রামের ছাগল বিত্রেতা এরশাদ আলী সাধু বলেন আমি দুইটি ছাগল হাটে নিয়ে এসেছি ছাগলের দাম গত বছরের তুলনায় অনেক কম তাই এখনো বিক্রি করতে পারিনি।বৃহস্পতিবার আহশানগঞ্জ হাটে প্রাণিসম্পদ অফিসের লোকজনকে দেখা গেছে। তারা কোরবানির জন্য গাভি গরুর প্রেগনেন্সি পরীক্ষা করেছেন। কোনো গরু অসুস্থ হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছেন। হাট ইজারাদার মোঃ ফজলে আজম শিলু জানান, আত্রাইয়ের আহসানগঞ্জ ঐতিহ্যবাহী পশুরহাট।অনেক সুনাম রয়েছে এ হাটের। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে গরু ও খাসি,ভেড়া ক্রয় করতে আসেন। এই হাটে নাটোর,বগুড়া,সিরাজগঞ্জ,রাজশাহী,জয়পুরহাটসহ আশপাশের জেলা থেকে বিক্রেতারা গরু বিক্রি কেরতে আসেন। স্থানীয় প্রশাসন ও আমাদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবীরা তাদের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করেন। কোরবানির সময় বিশ/বাইশ হাজার গরু ছাগল বিক্রি হয়। এ হাটে প্রায় চল্লিশ কোটির টাকার অধিক লেনদেন হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 Jonaki Media and Communication Limited
Design By Khan IT Host