মোঃ মুরাদ হাসান, শেরপুর প্রতিনিধি:
দ্বিতীয় পর্যায়ে একসঙ্গে প্রায় ৫৩ হাজার ৩৪০ টি অসহায় পরিবারকে ঘর দিল সরকার।
২০ জুন রবিবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দ্বিতীয় পর্যায়ে সব পরিবারকে মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে বিনামূল্যে ২ শতক জমি সহ সেমিপাকা ঘর দেওয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৷ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘর হস্তান্তরালে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আজ প্রত্যেক উপকারভোগীর হাতে জমির দলিল, নামজারী ও গৃহসনদ হস্তান্তর করা হয়। স্থায়ী আশ্রয়স্থল মানুষের মধ্যে আনন্দ-উল্লাসে মেতেছে । গরিব অসহায় মানুষের মধ্যে যাদের জমি আছে কিন্তু ঘর তৈরীর সামর্থ্য নেই তারা বিনামূল্যে পাচ্ছেনা ঘর। আর যাদের জমিও নেই তাদের জমিসহ ঘর দেওয়া হচ্ছে কোনো খরচ ছাড়াই। নতুন জীবনবোধ তাদের সমাজে মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখাচ্ছে।
চলতি বছরের ২৩ শে জানুয়ারি প্রথম পর্যায়ে ৬৯ হাজার ৯৪০ টি পরিবারকে , আজ ২০ শে জুন রবিবার দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩৪০টি পরিবারকে ঘরের চাবি বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে৷ তারই অংশ হিসেবে শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় নলকুড়া ইউনিয়নের হলদিগ্রামে ২৫ টি ঘর উপকারভোগীদের হাতে তুলে দেয়া হয়।
এ সময় ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত থেকে সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদ। ২৫ জন উপকারভোগীদের থেকে একজন উপকারভোগী সাথে ভিডিও কনফারেন্স এসময় কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
উপকারভোগীর নাম মোসাম্মৎ তাসলিমা খাতুন তিনি জানান তাদের ছিল না কোনো জমি, ছিল না কোনো ঘর, প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে তারা উপকারভোগী সকলই সন্তুষ্ট সেইসাথে প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু ও আল্লাহ পাক যেন প্রধানমন্ত্রী সুস্থ রাখে সে দোয়া রেখে বক্তব্য শেষ করেন।
এসময় আরো যুক্ত ছিলেন শেরপুর জেলার বিদায়ী প্রশাসক আনার কলি মাহবুব, শেরপুর -১ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ আতিউর রহমান আতিক, ঝিনাইগাতী উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম নাঈম প্রমুখ৷
Leave a Reply