1. mostafa0192@gmail.com : admin2024 :
শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন

মামলার তদন্তে গিয়ে মার খেলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২০
  • ২১১ বার পঠিত

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে হত্যা মামলার তদন্ত করতে গিয়ে হামলায় পিবিআই’র ২জনসহ ৫ পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। এমনকি তারা মারধরেরও শিকার হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে কালীগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহা: মাহফুজুর রহমান মিয়া একদল পুলিশ নিয়ে তাদের উদ্ধার করেন। তাদেরকে আটক করে মারধর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আহত পুলিশ কর্মকর্তারা।

পুলিশ সূত্র জানায়, কালীগঞ্জ উপজেলার আড়পাড়া এলাকায় আল আমিন নামে এক মাদরাসা ছাত্র হত্যার মোটিভ ও ক্লু উদ্ধার করতে গিয়ে তারা এই হামলার শিকার হন।

হামলার শিকার ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হলেন- এসআই হাফিজুর রহমান, এসআই সোহেল রানা, এএসআই আব্দুল খালেক, এসআই বি এম হুমায়ুন কবির ও এএসআই জাফর।

আহতদের মধ্যে দু’জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি তিনজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

আহত এসআই হাফিজুর রহমান বলেন, ‘বুধবার ক্লুলেস এই হত্যা মামলার তদন্তের জন্য আমরা আড়পাড়া গ্রামে অবস্থান করছিলাম। রাত ১০ টার দিকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়। এরপর আগেই গ্রেপ্তার হওয়া আসামি সাব্বিরের কাছ থেকে ওই ছুরি সম্পর্কে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় আসামির স্বজনরা অতর্কিত হামলা করে আমাকে একটি ঘরের মধ্যে আটক করে মারধর করে। তারা আমার দুই চোখের মধ্যে আঙুল ঢুকিয়ে পিঠে ও বুকে কিলঘুষি মারতে থাকে।’

খবর পেয়ে কালীগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহা: মাহফুজুর রহমান মিয়া একদল পুলিশ নিয়ে আড়পাড়া এলাকার মুশফিকুর রহমান ডাবলুর বাসা থেকে এসআই হাফিজুরকে উদ্ধার করেন।

এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরুদ্ধ পিবিআই সদস্য হাফিজকে উদ্ধার করা হয়। তাকে বেশ মারধর করা হয়েছে। আহত হাফিজুর রহমানকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঝিনাইদহ পিবিআই’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম.কে.এইচ জাহাঙ্গীর হোসেন পিপিএম বলেন, ‘কালীগঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্র হত্যাকান্ডের তদন্তে যায় পিবিআই সদস্যরা। গভীর রাতে তাদের উপর অতর্কিত হামলা করা হয়। হামলায় ৫ পুলিশ আহত হয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘হামলা করে হত্যাকান্ডের আলামত ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং আসামিদের ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। হামলার পর আসামি সাব্বিরের বাবা মুশফিকুর রহমান ডাবলু ও চাচা লাভলুকে আটক করা হয়েছে।’

এ ঘটনায় কালীগঞ্জ থানায় বৃহস্পতিবার মামলা করা হবে বলে পিবিআই সুত্রে জানা গেছে।

উল্লেখ্য গত বছরের ৪ ডিসেম্বর কালীগঞ্জ শহরের আড়পাড়ায় আল আমিন নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রকে গলাকেটে হত্যা করা হয়। মামলাটি মোটিভ ও ক্লুলেস ছিল। তদন্ত করে ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে সাব্বির ও হৃদয় নামে দুই যুবককে পিবিআই আটক করে। তাদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক বুধবার রাতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধারে অভিযান চালাতে গিয়ে পিবিআই সদস্যরা আসামির আত্মীয় স্বজন কর্তৃক হামলার শিকার হন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 Jonaki Media and Communication Limited
Design By Khan IT Host