1. [email protected] : admi2019 :
  2. [email protected] : খুলনা বিভাগ : খুলনা বিভাগ
  3. [email protected] : News : Badol Badol
  4. [email protected] : Mostafa Khan : Mostafa Khan
  5. [email protected] : mahin : mahin khan
বুধবার, ০৭ জুন ২০২৩, ০৯:২৫ অপরাহ্ন

নওগাঁয় স্কুল ক্যাম্পাসে প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকার অনৈতিক কাজের সংবাদ প্রকাশের জের

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১
  • ১৮৯ বার পঠিত

সাংবাদিকসহ  বক্তব্য প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে হয়রানীমূলক একাধিক মামলা

নওগা প্রতিনিধি

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার ‘শহীদ আব্দুল জব্বার মঙ্গলবাড়ি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের’ প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ ও সহকারি প্রধান শিক্ষিকা সুমাইয়া উম্মে শামসির সঙ্গে অনৈতিক কার্যক্রমের অভিযোগ উঠেছে। সেই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরে সংবাদ প্রকাশ করায় এলাকাবাসী ও সাংবাদিকের নামে একের পর এক হয়রানী মূলক মিথ্যা মামলা করছেন ওই দুই শিক্ষক।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকার নারী কেলেংকারী, অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সচেতন অভিভাবক ও এলাকাবাসী মানববন্ধনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করার তিন মাস অতিবাহিত হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহনসহ অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানান অভিভাবক মহল ও সাংবাদিকঘণ।

জানা যায়, নওগাঁ ও জয়পুরহাট জেলার সীমান্তে ধামইরহাটের অবহেলিত দরিদ্র মেয়েদের নিরক্ষর মুক্ত করতে ১৯৯৬ সালে স্থানীয় শিক্ষা অনুরাগী শহীদ আব্দুল জব্বারের নামানুসারে শহীদ আব্দুল জব্বার মঙ্গলবাড়ি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিদ্যালয়টি সুনামের সঙ্গে চললেও দূর্নীতিবাজ, নারীলোভী আবুল কালাম আজাদ প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনে পর থেকে নানা অনিয়ম, দূর্নীতি ফলে বেশ নাজুক অবস্থায় রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া সহকারি প্রধান শিক্ষিকার সাথে অবৈধ সর্ম্পকের কারনে সুনাম নষ্টসহ বিদ্যালয়টির শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পরেছে। তাদের অবেধ ও অনৈকিত র্কমকান্ডের জন্য ইতিপূর্বে কয়েকবার অবরুদ্ধ হলেও স্থানীয় প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপে ও অর্থের বিনিময়ে বারংবার পার পেয়ে গেছে। তাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে  একাধিক বার লিখিত অভিযোগ করা হলেও তা তোয়াক্কা না করে বহাল তবিয়তে রয়েছে ওই শিক্ষকদ্বয়। বরং যারা প্রতিবাদ করেন তাদেরকেই মামলায় জরিয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখানো হয়।

করোনা ভাইরাসের কারনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও প্রধান শিক্ষক ও সহকারি প্রধান শিক্ষিকা কারন ছাড়াই স্কুলে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় কাটান। গত ২০শে মার্চ স্কুল ক্যাম্পাসের ভিতরে তারা অনৈতিক কাজে লিপ্ত হলে স্থানীয়রা তা দেখে তাদেরকে অবরুদ্ধ করে রাথে। পরে প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপে তারা সেই অবস্থা থেকে মুক্ত হয়। এঘটনায় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্টনিক মিডিয়ায় ফলাও করে সংবাদ প্রকাশ হয়। এর সপ্তাহখানেক পরে প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে বাংলা টিভির জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি (রেজাউল করিম রেজা)সহ তার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বক্তব্য প্রদানকারী স্থানীয় অভিভাবকদের বিরুদ্ধে আদালতে চাঁদাবাজী সহ মানহানী মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার স্বাক্ষী হিসেবে রাখা হয় তার ওই অনৈতিক কাজের সঙ্গী সহকারী প্রধান শিক্ষিকা সুমাইয়া উম্মে শামসি। মামলাটি তদন্তে মিথ্যা প্রমান হবে বুঝতে পেরে এর কয়েকদিন পর তারা রাজশাহী সাইবার অপরাধ ট্রাইবুনালে আরও একটি হয়রানী মূলক মিথ্যা মামলা করেন।

অভিযুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা

স্থানীয়রা এ ঘটনার বিচার চেয়ে সেই সাথে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধনসহ অভিযুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে লিখিত অভিযোগ করেন। কিন্তু ঘটনার তিন মাস পেরিয়ে গেলেও তাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এতে ওই শিক্ষকদ্বয় অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিবাদকারী সচেতন অভিভাবক ও সংবাদ প্রকাশকারী সাংবাদিকের নামে একের পর এক হয়রানী মূলক মিথ্যা মামলা করে যাচ্ছে।

শিক্ষক ও শিক্ষিকার অনৈতিক কর্মকান্ডের বিষয়টি দীর্ঘদিন থেকে অবগত আছেন বলে জানান স্থানীয় জাহানপুর ইউপি চেয়ারম্যান ওসমান আলী।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত নারী শিক্ষিকা সুমাইয়া উম্মে শামসির সাথে যোগাযোগের জন্য তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি তা রিসিভ না করায়  কথা বলা সম্ভব হয়নি।

আদালতে মামলা চলমান থাকায় এ ব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ।

এ ব্যাপারে ধামুইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  গনপতি রায় জানান, এ বিষয়ে আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি। এর তদন্তের জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট্য কমিটি গঠন করা হয়েছে করোনা পরিস্থিতির কারনে তদন্তের কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদন পেলেই ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে। পনের সালে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ হয়েছিল সেটার তদন্ত প্রতিবেদন শিক্ষা র্বোডে আমরা পাঠিয়েছি। তারা এর কি করেছে তা আমার জানা নেই। বোর্ড কর্তৃপক্ষ আমাদের কোন র্নিদেশনা দেয়নি।

শিক্ষার্থীদের সুরক্ষাসহ অনিয়ম, দূর্নীতিবাজ, দুশ্চরিত্র ও মামলাবাজ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণসহ তাদের অপসারনের দাবি জানিয়েছে সর্বমহল

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..