1. [email protected] : admi2019 :
  2. [email protected] : Monir monir : Monir monir
  3. [email protected] : Mostafa Khan : Mostafa Khan
  4. [email protected] : mahin : mahin khan
শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন

১০ হাজার ৭৮৯ রাজাকারের তালিকা প্রকাশ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৬৫ বার পঠিত

বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী ১০ হাজার ৭৮৯ রাজাকারের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। রবিবার সকালে সচিবালয় সংলগ্ন সরকারি পরিবহন পুল ভবনের ৬ তলায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা ঘোষণা করেন তিনি। একই সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি তালিকাও প্রকাশ করেন তিনি।

আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, জামায়াতে ইসলামীসহ স্বাধীনতাবিরোধীরা ক্ষমতায় থাকাকালে অনেক রেকর্ড সরিয়ে ফেলে।

তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী রাজাকারদের নাম, পরিচয় ও ভূমিকা সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানানোর জন্যই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্য রাজাকারদের নামও ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, আমরা নতুন করে কোনো তালিকা করিনি। পাকিস্তান সরকার কর্তৃক যারা নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন এবং যেসব পুরনো নথি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংরক্ষিত ছিল সেটুকু প্রকাশ করেছি। তৎকালীন বিভিন্ন জেলার রেকর্ড রুম থেকে এবং বিজি প্রেসে ছাপানো তালিকাও সংগ্রহের প্রচেষ্টা চলছে। যাচাই-বাচাই করে ধাপে-ধাপে আরও তালিকা প্রকাশ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলা ছিল এমন রাজাকারের সংখ্যা প্রায় ৫৫ হাজার। এগুলোর অনুসন্ধান চলছে। কারণ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত নথিপত্র ধ্বংস করা হয়েছে।

জেলা থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, মেহেরপুর জেলায় সর্বোচ্চ ১৬৯ জন রাজাকারের নাম, চাঁদপুরে ৯ জন, শরীয়তপুরে ৪৪ জন, বাগেরহাটে এক জন ও নড়াইলে ৫০ জনের নাম পাওয়া গেছে। তবে যশোরের শার্শা উপজেলা, গাইবান্ধা, শেরপুর, মাগুরা ও খাগড়াছড়ি জেলায় কোনো রাজাকার নেই বলে জেলা প্রশাসকদের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে। যদিও সংশ্লিষ্ট এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এখনো জীবিত রয়েছে এমন রাজাকারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে শার্শা উপজেলা যেখানে রাজাকারদের সঙ্গে মুক্তিবাহিনীর সম্মুখযুদ্ধে শতাধিক শহিদ হওয়ার ঘটনা রয়েছে।

অন্যদিকে ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির ট্রুথ কমিশন ফর জেনোসাইড ইন বাংলাদেশ গ্রন্থ থেকে জানা যায়, মাগুরা জেলায় রাজাকারের সংখ্যা ২১ জন, ঢাকা জেলায় চার জন, গাজীপুর জেলায় সাত, টাঙ্গাইল জেলায় ১৪ জন, ময়মনসিংহ জেলার সদর উপজেলায় ১৮ জন, নান্দাইল উপজেলায় ১১ জন, ফুলপুর ও হালুয়াঘাট উপজেলায় ৪৩ জন, গফরগাঁও উপজেলায় ১৫ জন, মুক্তাগাছা উপজেলায় ২০, ফুলবাড়িয়া উপজেলায় ৪০ জন, ত্রিশালে ৪৩ জন, ভালুকায় ১৯ জন, শেরপুর সদরে ৩১ জন, নালিতাবাড়ী উপজেলায় ৪৯ জন, জামালপুর সদরে ১১ জন, নেত্রকোনা সদরে ১৩ জন, আটপাড়ায় সাত জন, বারহাট্টায় ১১ জন, কলমাকান্দায় আট জন, পূর্বধলায় সাত জন, কেন্দুয়ায় ১০ জন, মোহনগঞ্জ উপজেলায় ২৪ জন, দুর্গাপুরে ১৬ জন, মদনে সাত জন, কিশোরগঞ্জ জেলায় ৩১ জন, গাজীপুর জেলায় সাত জন, ফরিদপুর জেলায় ১৭ জন, মাদারীপুর জেলায় ১৪ জন, শরীয়তপুর জেলায় এক জন, গোপালগঞ্জ জেলায় সাত জন, রাজশাহী জেলায় ১৪ জন, পাবনা জেলায় তিন জন, সিরাজগঞ্জ জেলায় আট জন, বগুড়া জেলায় ১৪ জন, নওগাঁ জেলায় চার জন, নাটোর জেলায় ছয় জন, কুড়িগ্রাম জেলায় এক জন, দিনাজপুর জেলায় ২৮ জন, ঠাকুরগাঁও জেলায় চার জন, লালমনিরহাট জেলায় সাত জন, মাগুরা জেলায় ১৮ জন, ঝিনাইদহ জেলায় তিন জন, মেহেরপুর জেলায় তিন জন, যশোর জেলায় চার জন, বাগেরহাট জেলায় ৯ জন, বরিশাল জেলায় এক জন, পটুয়াখালী জেলায় তিন জন, পিরোজপুর জেলায় ১৮ জন, বরগুনা জেলায় ১১ জন, ঝালকাঠি জেলায় চার জন, মৌলভীবাজার জেলায় তিন জন, সিলেট জেলায় পাঁচ জন, সুনামগঞ্জ জেলায় ১৩ জন, নোয়াখালী জেলায় তিন জন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় এক জন। তবে এই হিসাব পুরো জেলা বা উপজেলার নয় বরং আংশিক।সূত্রঃ- ইত্তেফাক

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..