1. [email protected] : admi2019 :
  2. [email protected] : খুলনা বিভাগ : খুলনা বিভাগ
  3. [email protected] : Monir monir : Monir monir
  4. [email protected] : Mostafa Khan : Mostafa Khan
  5. [email protected] : mahin : mahin khan
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন

হু হু করে বাড়ছে যমুনায়  পানি, তলিয়ে যাচ্ছে নিম্নাঞ্চল 

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৭ আগস্ট, ২০২১
  • ১০৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে সিরাজগঞ্জ, কাজীপুর   পয়েন্ট ও টাঙ্গাইলে বাড়ছে যমুনা নদীর পানি। গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধের হার্ড পয়েন্টে ৩৭ সেন্টিমিটার এবং কাজীপুর পয়েন্টে ১৬ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। অন্যদিকে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় টাঙ্গাইল জেলার চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যাচ্ছে। ক্ষতি হচ্ছে সবজি, আমনসহ বিভিন্ন ফসলের। এছাড়াও পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নদী তীরবর্তী টাঙ্গাইল সদর, ভূঞাপুর, কালিহাতী, নাগরপুরের বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে সিরাজগঞ্জের হার্ড পয়েন্ট এলাকায় বিপৎসীমার ১০১ সেন্টিমিটার, কাজীপুর পয়েন্টে ১৫৬ সেন্টিমিটার এবং টাঙ্গাইলে নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। চলতি বছরে পানি বাড়ার হার এটিই সর্বোচ্চ।

এছাড়াও টাঙ্গাইলে ধলেশ্বরীর নদীর পানি ৩৭ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৮১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে, পুংলী নদীর পানি ৩৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১০০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং বংশাই নদীর পানি ৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১০৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, যমুনাসহ সকল নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ক্ষতি হচ্ছে সবজি, আমনসহ বিভিন্ন ফসলের। এছাড়াও পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে নদী-তীরবর্তী টাঙ্গাইল সদর, ভূঞাপুর, কালিহাতী, নাগরপুরের বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। অনেকেই ঘর সরাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বসবাস করছেন পলিথিন দিয়ে তৈরি ঘর ও খোলা আকাশের নিচে। নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যাওয়ায় আতঙ্কে দিন পার করছেন লোকজন।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. নাসির উদ্দিন বলেন, দু-একদিন পানি বাড়তে পারে বলে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে। পানি বেড়ে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাচনী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, উজানের ঢলে জেলার সবকটি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। নদী তীরবর্তী যে সমস্ত এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে, সে সমস্ত এলাকায় ভাঙন ঠেকাতে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..