1. [email protected] : admi2019 :
  2. [email protected] : Monir monir : Monir monir
  3. [email protected] : Mostafa Khan : Mostafa Khan
  4. [email protected] : mahin : mahin khan
মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন

নরসিংদীর রায়পুরায় নদী গর্ভে বিলিন ৭০ টি বসতভিটা ॥ হুমকীর মুখে আরো অসংখ্য পরিবার

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২০
  • ৪৬ বার পঠিত

মো. মোস্তফা খান, নিজস্ব প্রতিবেদক, নরসিংদী:

নরসিংদীর রায়পুরায় মেঘনা নদীর গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে উপজেলার দূর্গমচরাঞ্চল চানঁপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর, ইমামদীরকান্দি ও সদাগরকান্দি গ্রামের প্রায় ৭০টি বসত ভিটা। যে কোন মূহুত্যের বিলিনের পথে আরো অসংখ্য ঘরবাড়ি। সেই সাথে গত কদিনে অব্যহত ভাঙ্গনে নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে প্রায় শত বিঘা ফসলি জমি। সব হারিয়ে মানবেতর দিনাতীপাত করছে নদী গর্ভে বিলিন হওয়া পরিবারগুলো।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোমেন সরকারের পক্ষ হইতে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করলেও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ হইতে এখনো কোন সাহায্য-সহযোগিতা পাননি বলে জানান অসহায় পরিবারগুলো।

শুক্রবার সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার চাঁনপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর, ইমামদীরকান্দি ও সদাগরকান্দি গ্রামে মেঘনা নদী গর্ভে বিলিন হওয়ার করুন দৃশ্য। নিরব দর্শকের ভূমিকায় অপলক দৃষ্টিতে দাড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে। সেই সাথে নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাচ্ছে ফসলি জমিগুলোও।

ক্ষতিগ্রস্তরা বলেন, ভিটাবাড়ী না থাকলে সেমাই চিড়া-মুড়ি দিয়ে কত দিন চলে। আগুন লাগলে অন্তত ভিটাটা তো থাকতো, মাথার উপর কাগজ দিয়ে থাকতে পারতাম। নদী ভাঙ্গনে তো ভিটাবাড়ি সহ সব কিছু কেড়ে নিল। একটি থালা-বাসনও রাখতে পারি নি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে মেঘনায় ব্যাপক খরস্রোতা দেখা দিয়েছে। ফলে এ ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে। এখনো যারা হুমকীর মুখে রয়েছেন তাদের মধ্যে অনেকেই ভাঙনের আশঙ্কায় ঘর থেকে আসবাবপত্র, বিভিন্ন মালামাল নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। নদী ভাঙ্গনরোধে দ্রুত প্রয়োজনী পদক্ষেপ গ্রহন করা না হলে আরো শত শত পরিবারসহ শত শত বিঘা ফসলি জমি নদী গর্ভে চলে যাবে। তাই ইউনিয়নগুলো রক্ষা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট বেড়িবাঁধ নির্মানের জন্য জোর দাবী জানান।

চাঁনপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোমেন সরকার বলেন, আমি ভাঙ্গন এলাকা পরির্দশন করেছি এবং তাদেরকে শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করেছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে সরকারী সাহায্য সহযোগিতার জন্য তালিকা প্রস্তুত করছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা হাতে আসলেই দ্রুত তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সাহায্য-সহযোগিতার ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। চরমধুয়া ও চাঁনপুর ইউনিয়নে বাঁধ নির্মাণের প্রস্তাব একনেকে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের এটি বাস্তবায়ন হয়ে যাবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড নরসিংদীর নির্বাহী প্রকৌশলী বিজয় ইন্দ্র শংকর চক্রবতী বলেন, নদী বেষ্টিত রায়পুরার চরাঞ্চলে ছোটখাটো কাজ করে ভাঙ্গন রোধ করা যাবে না। তাই চানপুর ও চরমধুয়া ইউনিয়নের দুটি পয়েন্টে ২হাজার ৫৯৫ মিটার প্রতিরক্ষামূলক ব্লকের প্রস্তাবনা একনেকের পূর্ববর্তি সভায় অন্তর্ভুক্তি হয়েছে। আশা করছি দ্রুত বাস্তবায়ন হয়ে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..